Thursday, July 3, 2014

ফ্রিলান্সিং পরিকল্পনার ৩ ধাপ

Posted in
আপনি ফ্রিল্যান্সার হতে চান, অথবা ব্যবসা করতে চান। আরো নির্দিষ্ট করে কল্পনা করুন আপনি ওয়েব ডিজাইনার হতে চান, গ্রাফিক ডিজাইনার হতে চান অথবা এনিমেটর বা প্রোগ্রামার হতে চান। ব্লগ তৈরী করে তার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে চান। যাকিছু ইচ্ছে কল্পনা করতে পারেন, কল্পনাকে বাস্তবে রুপ দেয়ার জন্য আপনাকে কাজ করতে হবে। আর সেজন্য প্রয়োজন পরিকল্পনা। হয়ত শুনে অবাক হতে পারেন জাতিসংঘের মত প্রতিস্ঠান সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করে পরিকল্পনায়। ঢাকা শহরের যানজটের সমস্যা দুর করার পদ্ধতি কি এনিয়ে সরাসরি মন্তব্য করে বলা হয়েছিল, আপনারা প্রথমে ঠিক করুন আপনারা কি চান।


আপনার অবশ্যই এসব বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন ব্যক্তিগত সাফল্য লাভের পরিকল্পনা। খুব সহজে ৩ ধাপে আপনি পরিকল্পনা করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজে নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে তুলে ধরা

Posted in
স্থানীয়ভাবে আপনি অন্তত বাংলাদেশে অনেক পেশাদার পাবেন যাদের প্রধান বক্তব্য, আমি পেশাদার। একথা বলে তারা যা বুঝান তা হচ্ছে তিনি টাকা ছাড়া কাজ করবেন না, কথাও বলবেন না।


আপনি তাকে কাজ দিলেন, টাকাও অগ্রিম দিলেন। তারপর দেখা পেলেন সত্যিকারের পেশাদারিত্ব। অমুক কারনে কাজ হয়নি, তমুক দিন খোজ নেন, এই টাকায় কাজ এমনই হয়। কারনের অভাব নেই। একসময় আপনার ধারনা হল তার পরিচিতির জন্য শব্দটি প্রফেশনাল বা পেশাদার না হয়ে বাটপার হলে মানানসই হত।
আপনি নিশ্চয়ই ফ্রিল্যান্সার হিসেবে এমন সুখ্যাতি চান না। ফ্রিল্যান্সার নিজেই নিজের প্রতিস্ঠান, নিজেই ব্রান্ড। সময় যত গড়াবে খ্যাতি বাড়বে, সেইসাথে কাজের মান এবং অর্থ।

ফ্রিল্যান্সার হতে চান ? নিজেকে প্রশ্ন করুন

Posted in
আমি ফ্রিল্যান্সার এই পরিচয় দেয়ার জন্য বহু সময় অপেক্ষা করতে হয়। কয়েক মাস কিংবা বছর চেষ্টার পর আপনি সত্যিকারের ফ্রিল্যান্সার হতে পারেন। এই সময় কাটানোর পর কি আপনার মনে এমন প্রশ্ন আসেতে পারে, ফ্রিল্যান্সিং আমার জন্য ঠিক কি-না।
আপনি অর্ধেক পথ যাওয়ার পর ঠিকপথে চলছেন নাকি ভুলপথে চলছেন এপ্রশ্ন কোন উপকার বয়ে আনে না। যদি সম্ভাবনা থেকেই থাকে, আগে পথটি সম্পর্কে জেনে নিন। ফ্রিল্যান্সার হওয়ার আগে নিজেকে কিছু প্রশ্ন করে আপনি যাচাই করে নিতে পারেন একাজ আপনার জন্য মানানসই কিনা।

সাফল্যের ৪ সুত্র

Posted in
সাফল্যেকে কর্মফল বললে নিশ্চয়ই আপত্তি করবেন না। কর্মফল হচ্ছে কর্ম এবং তার ফল। আপনি যতটুকু কর্ম করবেন ততটুকু ফল পাবেন। খুব সহজ বক্তব্য। প্রত্যেকেই সেটা জানেন, বোঝেন। তারপরও খুব কম ব্যক্তিই সেটা বিশ্বাস করেন। সবসময়ই সফল না হওয়ার নানারকম কারনগুলিই চোখে পড়ে।


চেষ্টা করলে হয়ত এই কারনগুলিকে উপেক্ষা করে কর্মকে যাচাই করতে পারেন। অন্যান্য অনেককিছুর মত একেও সুনির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে আনা সম্ভব।
.          এখনই করে ফেলুন
আপনাকে যে কাজ করতে হবে সেকাজ এখনই করে ফেলুন। অমুক সময় করব বলে রেখে দেবেন না। তলস্তয়ের সেই ৩ প্রশ্নের গল্প হয়ত মনে আছে। এই মুহুর্ত সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন সময়, হাতের কাজটি সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন কাজ এবং সামনের ব্যক্তি সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন ব্যক্তি। প্রতিমুহুর্তে নিজেকে বলুন, কাজ শেষ করে রাখি।

টাকা আয় করুন রিভিউ মি তে রিভিউ লিখে

Posted in
রা রিভিউ লিখে আয় করতে চান তাদের জন্য একটি সেরা সাইট রিভিউ-মি। প্রতিটি পোষ্টের জন্য পাবেন কমপক্ষে ৪০ ডলার। অবশ্য এটা কাগজের হিসাব। আপনার আয়ের অর্ধেক তারা নেবে অর্ধেক আপনি পাবেন। যার অর্থ হচ্ছে একটি পোষ্টের জন্য আপনি পাবেন কমপক্ষে ২০ ডলার।
তাদের অনুমোদন পাওয়ার জন্য আপনার নিজস্ব ব্লগ থাকতে হবে, সেখানে নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পুরন করতে হবে। যেমন সার্চ ইঞ্জিনের র‌্যাংকিং এ ব্লগের অবস্থান, ভিজিটরের সংখ্যা ইত্যাদি। যদি তাদের শর্ত পুরনে ব্যর্থ হন তাহলে চেষ্টা করে সাইটের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে আবারো চেষ্টা করতে পারেন।
আপনার ব্লগ ইংরেজি হতে হবে এমন কথা নেই, আপনাকে ইংরেজিতে লিখতে হবে এমন কথাও নেই। আপনার ব্লগ যে ভাষায় সেই ভাষায় লিখবেন।

ফ্রিল্যান্সারের প্রধান ৫ সমস্যা এবং সমাধান

Posted in
ফ্রিল্যান্সারদের সম্পর্কে অনেকেরই ধারনা তারা ফাকিবাজি কাজ করেন। নিজের বাড়িতে থাকেন, ইচ্ছেমত কাজ করেন। অনেকেই মনে করেন কম্পিউটার আর ইন্টারনেট থাকলে কপিরাইটার, গ্রাফিক ডিজাইনার কিংবা এসইও এক্সপার্ট হয়ে বেশ আয় করা যায়। এই ধারনায় দোষের কিছু নেই যদি কাজের জন্য সেই পরিমান মনোনিবেশ করা হয়, দক্ষতার সাথে কাজ করা হয়। অনেকেই সেটা বুঝতে ভুল করেন, ফল হিসেবে বেশকিছু সমস্যা তৈরী হয়। ফ্রিল্যান্সারের নিজের, অন্য ফ্রিল্যান্সারের এবং ক্লায়েন্টের।


সৌখিন ফ্রিল্যান্সার যে সমস্যাগুলি তৈরী করেন এধরনের ৫টি প্রধান সমস্যা এখানে উল্লেখ করা হচ্ছে।
.          মনমত কাজ করা
ফ্রিল্যান্সার অনেকসময়ই ধরে নেন যখন ভাল লাগবে তখন কাজ শেষ করবেন। তার হাতে কাজ জমা থাকে। একদিকে সময় গড়াতে থাকে, ক্লায়েন্ট বিরক্ত হয়, শেষে তাড়াহুড়ো করে কাজ শেষ করায় কাজের মানের ওপর প্রভাব পড়ে।
যদি সত্যিকারের অর্থেই ভাল করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্সিংকে অফিসে চাকরী করার মত একই দৃষ্টিতে দেখুন। সময়ের কাজ সময়ে শেষ করুন। যদি বোধ করেন ফ্রিল্যান্সিং আপনার সাথে মানানসই হচ্ছে না সাথেসাথে ছেড়ে দিন।

আউটসোর্সিং-ক্রাউডসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং বলতে কি বুঝায়

Posted in
আউটসোর্সিং-ক্রাউডসোর্সিং-ফ্রিল্যান্সিং এই শব্দগুলি ইদানিং এত বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে যে আপনি নিশ্চিতভাবেই ধরে নেয়া যায় আপনি শুনেছেন। অন্তত সরকার যখন বারবার বলছেন আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বাংলাদেশে মধ্যম আয়ের দেশে কিংবা ধনী দেশে পরিনত হবে, কিংবা আউটসোর্সিং হবে দেশের প্রধান আয়ের উতস।


কথাগুলো বলা হলেও স্পষ্ট করে উদাহরন দেয়া হয়নি। সম্ভবত আপনিও জানতে চাননি। অপেক্ষা করছেন যখন সেই সুযোগ আসবে তখন কাজে লাগাবেন। যদি নিজে থেকে উদ্দ্যোগি হয়ে জানতে চান তাহলে সংক্ষেপে জেনে নিন বিষয়গুলি আসলে কি। হয়ত নিজেকে সেজন্য প্রস্তুত করতে পারেন।
আউটসোর্সিং