Thursday, July 3, 2014

Fileserve: ফাইল আপলোড করে ইন্টারনেটে টাকা আয়

Posted in
ফাইল আপলোড করে আপনি আয় করতে পারেন বিভিন্ন প্রতিস্ঠান থেকে। এজন্য ফাইলসার্ভ একটি বড় প্রতিস্ঠান। তাদের সাইটে গিয়ে নিজের নাম লেখার (বিনামুল্যে অথবা প্রিমিয়াম মেম্বারশীপ), ফাইল আপলোড করুন। যে কেউ ডাউনলোড করলে আপনি অর্থ পাবেন। অর্থের পরিমান নির্ভর করে কোন দেশ থেকে, কতবার ডাউনলোড করা হয়েছে এবং ডাউনলোড ফাইলের সাইজ কত। অনেক কোম্পানী আমেরিকা-বৃটেন-কানাডার ডাউনলোডের জন্য টাকা দেয়, এরা দেয় সব দেশের জন্যই।




হিসেবটা এমন, বিশ্বের দেশগুলিকে ৪টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এ হচ্ছে আমেরিকা, বৃটেন এবং কানাডা। বি হচ্ছে ফ্রান্স, জার্মানী, স্পেন, ইত্যালি, অষ্ট্রেলিয়া ইত্যাদি দেশ। সি হচ্ছে রাশিয়া, পোল্যান্ড, চেক থেকে শুরু করে জাপান, সিংগাপুর, মালয়েশিয়া, কাতার, কুয়েত, সৌদিআরব, দক্ষিন আফ্রিকা, ব্রাজিল ইত্যাদি দেশ। আর শেষ ভাগে বাকি দেশগুলি।

ইন্টারনেটে টাকা আয় : অর্থ আদান-প্রদানের বিভিন্ন পদ্ধতি

Posted in
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কিছু বিক্রি করুন, অথবা পিটিসি, ডাটা এন্ট্রি থেকে শুরু করে গ্রাফিক ডিজাইন বা প্রোগ্রামিং এর কাজ করুন, টাকা হাতে পাওয়ার জন্য আপনার প্রয়োজন অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থা। বাংলাদেশে কাজটি খুব সহজ না। বাংলাদেশে ভিসা-মাষ্টারকার্ডের মত আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের প্রচলন নেই। এর বাইরে পে-পলের মত অনেক সেবাই বাংলাদেশ থেকে ব্যবহার করা যায় না।


অনলাইনে লেনদেনের বিভিন্ন পদ্ধতির একটি চিত্র তুলে ধরা হচ্ছে এখানে।
পে-পল : সহজে অর্থ লেনদেনের সবচেয়ে জনপ্রিয় পদ্ধতি। তাদের সাইটে গিয়ে বিনামুল্যে একাউন্ট করা যায় (বাংলাদেশসহ কিছু দেশ বাদে)। লেনদেনের জন্য শুধুমাত্র ই-মেইল এড্রেস ব্যবহার করতে হয়। অর্থাত আপনি যারকাছে টাকা পাবেন তাকে ই-মেইল এড্রেস জানালে তিনি আপনার একাউন্টে টাকা পাঠিয়ে দিতে পারেন। একইভাবে কোথাও অর্থ দেয়া প্রয়োজন হলে (যেমন সার্ভার ভাড়া করা বা সফটঅয়্যার কেনা) আপনি পে-পল একাউন্ট থেকে টাকা দিতে পারেন। কিংবা অনলাইনে কিছু কিনতে পারেন।

ইন্টারনেটে আয় করুন ই-বে এর মাধ্যমে

Posted in
ই-বে ইন্টারনেটে নিলামে জিনিষপত্র বিক্রি করে। কোন একটি জিনিষের বর্ননা এবং শুরুর দাম উল্লেখ করা থাকে, এরপর ক্রেতারা কে কত টাকায় কিনতে চান সেটা জানান। নিলামের নিয়ম অনুযায়ী যিনি বেশি দাম দিতে আগ্রহি তিনি কেনার সুযোগ পান। এই ব্যবস্থা অত্যন্ত জনপ্রিয় কারন অনেকেই এই পদ্ধতিতে খুব কমদামে কেনার সুযোগ পান।



আপনি এই ব্যবস্থায় অংশ নিয়ে আয় করতে পারেন। কোন জিনিষ, কত দামে বিক্রি হবে এসব নিয়ে আপনার মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। আপনার পছন্দমত জিনিষের লিষ্ট আপনার সাইটে রাখবেন। ক্রেতা সেখানে ক্লিক করে নিলামে অংশ নেবেন। বিক্রি হলে আপনি কমিশন পাবেন।

Freelancing: ভার্চুয়াল এসিষ্টেন্ট ব্যবহার করে বেশি কাজ করতে পারেন

Posted in
কাজে সহায়তা করার জন্য এসিষ্টেন্ট রাখা হয়। যদি ব্যবসাপ্রতিস্ঠান পরিচালনা করেন সেখানে সবকাজ একা করতে পারেন না, কাউকে না কাউকে নিয়োগ দিতে হয়। আপনি যখন ফ্রিল্যান্সার তখন নিয়োগ দেয়ার বিষয় ততটা সহজ থাকে না। অর্থসংক্রান্ত বিষয় তো বটেই, এমনকি কাজের ধরনের মিল থাকা-নাথাকাও বড় বিষয় হয়ে দাড়ায়। যেহেতু আপনি রুটিন কাজ করাচ্ছেন না।


একাজে সহায়তা করতে পারে ভার্চুয়াল এসিষ্টেন্ট।
কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছে ভার্চুয়াল শব্দটি পরিচিত। এটা এমন কিছু যা আসলে নেই, আপনি ধরে নিচ্ছেন আছে। সেভাবেই একজন (বা অসংখ্য) এসিষ্টেন্ট তৈরী করে নিন। কোন বিষয়ে সাহায্য প্রয়োজন হলে তার সাহায্য নিন।
কিভাবে তৈরী করবেন ?
.          নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরী করুন।

Freelancing tips: ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আপনি কখন ব্যর্থ

Posted in
প্রত্যেক মানুষের জীবনে এমন কিছু সময় আসে যখন মনে হয় তিনি কোন বিষয়ে ব্যর্থ। মনে হয় কিছুই ঠিকমত হচ্ছে না। বিষয়টি যদি ফ্রিল্যান্সিয কাজের বিষয়ে হয় তাহলে সেটা আরো ভয়ংকর। আপনি কাজ পাচ্ছেন না, অর্থ আসছে না, আয়ের পথ নেই। মনে হতেই পারে এরচেয়ে সামান্য বেতনের চাকরী করাও ভাল। অন্তত কিছু পরিমান অর্থের নিশ্চয়তা পাওয়া যেত।

প্রত্যেকেই কোন না কোন বিষয়ে ব্যর্থ হয়। চেষ্টা করেই সেখান থেকে সফলতা বের করে আনতে হয়। সফল ব্যক্তিদের উদাহরন সেকথাই বলে। ভুল থেকে কিভাবে সফলতা পাওয়া যায় তা নিয়ে ভাবুন।
কারন বের করুন
প্রধান কাজ ব্যর্থতার কারন খুজে বের করা। সত্যিকার অর্থেই এটা ব্যর্থতা কিনা যাচাই করা। সমস্যা কি ব্যবসার বিষয় সংক্রান্ত, ব্যক্তিগত, নাকি মানসিক।

Freelancing Tips: কিভাবে বাস্তবসম্মত লক্ষ্য স্থির করবেন

Posted in
ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে সবসময়ই বলা হচ্ছে আপনার লক্ষ স্থির করুন। তারপর তারদিকে যেতে চেষ্টা করুন। কোন লক্ষে যাওয়া সম্ভব সেটা নির্ভর করে সেটা বাস্তবসম্মত কিনা তার ওপর। কিন্তু বাস্তবসম্মত লক্ষ্য কি? সেটা জানবেন কিভাবে ?


লক্ষ্য স্থির করার কাজ সহজ না। এক ব্যক্তির লক্ষ্য কখনোই আরেক ব্যক্তির মত হতে পারে না। যদি বাস্তসম্মত কথাটি যোগ করা হয় তাহলে পার্থক্য বেড়ে যায় অনেক। প্রত্যেকের আশা-আকাঙ্খা, চিন্তার ধরন থেকে শুরু করে জ্ঞান, মেধা, অভিজ্ঞতা সবকিছুই যখন ভিন্ন।
আশ্চর্য্যজনক শোনালেও অনেক সময়ই মানুষ যে লক্ষ্য স্থির করে বাস্তবে সেটা আশা করে না বা চায় না। তারপরও খুব সহজেই এই ভুল করে। কাজেই আপাতত লক্ষের কথা ভুলে যান। বরং আপনি কি চান সেটা ঠিক করুন। উদাহরন হিসেবে বড় প্রতিস্ঠানের কথা ভাবতে পারেন। তারা কি করতে চায় সেটা প্রথমে ঠিক করে নেয়। তার সম্ভাবতা যাচাই করে। তারপর কাজ শুরু করে। এভাবেই তারা সফল হয়।

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ করতে চান, ভাল-মন্দ জেনে নিন

Posted in
আমি নিজেই নিজের বস, ফ্রিল্যান্সারের মুল বক্তব্য এটাই। অন্যের অধীনে চাকরী করি না, নিজের পছন্দমত কাজ করি একথা বলার যোগ্যতা লাভ করা যায় ফ্রিল্যান্সার হয়ে। সেইসাথে যদি যোগ হয়, ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অমুকে মাসে লক্ষ টাকা আয় করছে তাহলে বহু মানুষের এতে আগ্রহ থাকবে এটাই স্বাভাবিক।


আপনিও ফ্রিল্যান্সার হতে চান। তাহলে একবার দৃষ্টি দিন ফ্রিল্যান্সিং বিষয়টির দিকেই।
.          আপনি নিজেই আপনার অফিসের ম্যানেজার
আপনি হয়ত আপনার অফিসের ম্যানেজারকে পছন্দ এবং অপছন্দ করেন সবসময় আপনার দিকে দৃষ্টি রাখে এই কারনে। দৃষ্টি রাখে কারন সেটাই তার কাজ। আপনি যখন ফ্রিল্যান্সার তখন একাজ আপনারে নিজেকেই করতে হবে, এবং দৃষ্টি রাখতে হবে নিজের দিকে। কখন কি প্রয়োজন হবে সেটা ঠিক আছে কিনা থেকে শুরু করে কাজে ফাকি দিচ্ছেন কিনা সেটাও সেটাও দেখার দায়িত্ব আপনার।