Thursday, July 3, 2014

ইন্টারনেটে টাকা আয় – ফটোশপ ডিজাইন বিক্রি করে আয় করুন

Posted in
ডিজিটাল ইমেজ মানেই ফটোশপ। আপনি ফটোশপে কাজ করেন অথচ আয় করার সুযোগ পাবেন না সেটা হয় না। নিজের মনের মত ডিজাইন তৈরী করুন এবং সেগুলি বিক্রি করুন ইন্টারনেটের মাধ্যমে। যত বেশি ক্রেতা কিনবে আপনি তত বেশি অর্থ পাবেন। ফ্রিলান্সার আপনার ডিজাইন বিক্রির সব ব্যবস্থা করে দেবে।
অবশ্যই আপনাকে দৃষ্টিনন্দন, কাজের উপযোগি এবং ডিজাইনের নিয়ম মেনে কাজ করতে হবে। এজন্য রয়েছে কিছু গাইডলাইন। সেগুলি জেনে নিন।
.          ফটোশপে ডিজাইনের সময় ডিজাইনের গঠন ঠিক রাখুন। লেয়ার কিংবা গ্রুপগুলিকে এমনভাবে সাজান যেন সেগুলির নাম দেখে সহজে বোঝা যায় কোনটির কাজ কি। শুরুতেই Head, body এবং foot নামে তিনটি লেয়ার গ্রপ তৈরী করে নিতে পারেন, এরপর নির্দিষ্ট লেয়ারগুলিকে সেখানে রাখতে পারেন।

ফেসবুক থেকে আয়

Posted in
ফেসবুক নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছূ নেই। সবচেয়ে জনপ্রিয় সোস্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট, ইচ্ছে করলে যে কোন সময় নিজের নাম লিখিয়ে সদস্য হতে পারেন, অল্প কথায় আপনার বক্তব্য প্রকাশ করতে পারেন, ছবি সেখানে রেখে অন্যদের দেখাতে পারেন। এর মাধ্যমে অন্য ফেসবুক সদস্যদের সাথে বন্ধুত্ব গড়তে পারেন। যাকে পছন্দ তারজন্য লাইক বাটনে ক্লিক করবেন। বেশি বন্ধু বিষয়টিকে কৃতিত্ব হিসেবে দেখা হয়। বিখ্যাত ব্যক্তিদের অনেকের রয়েছে লক্ষ লক্ষ বন্ধু।



আপনার ফেসবুকের বন্ধুর সংখ্যাকে ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বলা হয় ফেসবুকের ব্যবহারকারী ৭০ কোটি। কাজেই বড় ধরনের সুযোগ সেখানে রয়েছে।
প্রথম কথা, আপনার বন্ধু বেশি এই কারনে ফেসবুক আপনাকে টাকা দেবে না। আপনাকে আয় করতে হবে একে প্রচার কাজে ব্যবহার করে। কি কি পদ্ধতিতে সেটা করা যায় জানা যাক।

যেকারনে এডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ পাবেন না

Posted in
পুরোপুরি ব্যবসায়িক ওয়েবসাইটরে বাইরে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের আয়ের একটি বড় উতস গুগলের বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক এডসেন্স। আপনি তাদের কাছে নিজের নাম লেখাবেন, ফলে আপনার সাইটে বিষয়ের সাথে মানানসই বিজ্ঞাপন দেখা যাবে। ভিজিটর যখন সেই বিজ্ঞাপনের লিংকে ক্লিক করবেন তার বিনিময়ে আপনি টাকা পাবেন। ক্লিক প্রতি কয়েক সেন্ট থেকে কয়েক ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন এই পদ্ধতিতে। ফলে ভিজিটরের সংখ্যা বেশি হলে ক্লিক করার সম্ভাবনাও বেড়ে যায় আর আপনার আয় হতে পারে মাসে কয়েক হাজার ডলার পর্যন্ত।
আপনি এডসেন্স সাইটে গিয়ে ফরম পুরন করলেই আপনার সাইটকে এসেন্স ব্যবহারের অনুমতি দেয়া হবে এমন কথা নেই। তাদের নিজস্ব কিছু শর্ত রয়েছে যা আপনাকে পুরন করতে হবে। এডসেন্সের জন্য আবেদন করার আগে শর্তগুলি জেনে নিন।

ফ্রিল্যান্সিং কাজে সবচেয়ে বড় ভুল

Posted in
মানুষ ভুল থেকে শেখে। ফ্রিল্যান্সারদের ক্ষেত্রে একথা সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য। প্রতিপদে সমস্যায় পড়ে তাদেরকে শিখতে হয়। প্রত্যেকেরই রয়েছে নিজস্ব নানারকম অভিজ্ঞতা। নিজে ঠকার আগে অন্যের অবস্থা থেকে কি শেখা যায় না!
কোন কাজগুলি সবচেয়ে বড় সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে জেনে নিন। হয়ত আগে থেকেই সাবধানে থাকতে পারেন।
.          কমদাম
প্রত্যেক ফ্রিল্যান্সারই মনে করেন তাকে হয়ত কম টাকা দেয়া হচ্ছে। তারপরও কম টাকায় কাজ করতে হয়। যখন ঘন্টা হিসেবে কাজ করা হয় তখন বিষয়টি আরো জটিল হয়ে দাড়ায়। আপনি ৪ ঘন্টা কাজ করলে ঘন্টা হিসেবে ৪ ঘন্টার টাকা পাবেন। কিন্তু অনেকক্ষেত্রেই একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তি সেকাজ করতে পারেন আধ ঘন্টায়। তিনি কত টাকার বিল করবেন ? তিনি আধ ঘন্টা কাজ করেছেন সেটা ঠিক, কিন্তু তার যে অভিজ্ঞতা সেটা অর্জন করতে বহু বছর ব্যয় করতে হয়েছে।

ফ্রিলান্সিং কাজে সাব-কন্ট্রাক্টর ব্যবহার করে বেশি আয়

Posted in
ফ্রিল্যান্সিং কাজে কন্ট্রাক্ট হচ্ছে যিনি কাজ করেন। আপনি ফ্রিলান্সার সাইটের সদস্য হয়ে কাজের জন্য আবেদন করলেন, কাজ করলেন, টাকা পেলেন। এখানে আপনি কন্ট্রাক্টর। বেশকিছু কারনে আপনি সাব-কন্ট্রাক্টর ব্যবহার করে আয় বাড়াতে পারেন।
হয়তো আপনার হাতে এমন কাজ রয়েছে যা এত দ্রুত দেয়া প্রয়োজন যে আপনার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। এমন অবস্থায় কি করতে পারেন?
আপনি আরেকজন কন্ট্রাক্টরকে কাজটির জন্য পরামর্শ দিতে পারেন। এর ফল হবে পরবর্তীতে কাজ সরাসরি তারকাছেই যাবে। বিষয়টি অনেকটা ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতার মত। আপনার ক্রেতাকে যদি অন্য ব্যবসায়ীর কাছে যেতে দেন সে আপনার কাছে আসবে না।

PTC এর অজানা তথ্য

Posted in
যারা ইন্টারনেটে আয় নিয়ে  আগ্রহ প্রকাশ তাদের প্রথম পছন্দ পিটিসি (Paid to click). আপনি নির্দিস্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর ক্লিকপ্রতি টাকা পাবেন। কোনকিছু জানা প্রয়োজন নেই, কোন দক্ষতা প্রয়োজন নেই। বলা হয় এভাবে আপনি হাজার হাজার ডলার আয় করার সুযোগ পাবেন।
এই বক্তব্য এবং মুল কাজের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। মুলত আপনাকে আকৃষ্ট করার জন্যই এভাবে লোভনীয় কথাগুলি বলা হয়। আবার একে একেবারে অসত্য বলে উড়িয়ে দেয়ার উপায়ও নেই।
পিটিসি ঠিক কিভাবে কাজ করে জানার আগে একবার জেনে নেয়া যাক ক্লিক করলে আপনাকে টাকা দেবে কেন।
ব্যবসা প্রতিস্ঠানে বা দোকানে যত বেশি ক্রেতা আসেন সেই প্রতিস্ঠানের বিক্রি তত বেশি, এটা সাধারন নিয়ম। ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবসা যারা করেন তারাও আশা করে তাদের কাছে প্রচুর ক্রেতা (ভিজিটর) আসবেন।

Freelancing tips: ক্রিয়েটিভিটি নষ্ট হওয়ার ৫ কারন

Posted in
ফ্রিল্যান্সিং কাজের মুল শক্তি ক্রিয়েটিভিটি। ফ্রিল্যান্সার কতটা ভিন্নভাবে চিন্তা করতে পারেন, তাকে কাজে পরিনত করতে পারেন তার ওপর নির্ভর করে সাফল্য। বিভিন্ন কার প্রভাব ফেলে ক্রিয়েটিভির ওপর। সেদিকে দৃষ্টি দিয়ে আরো বেশি মনোনিবেশ করা যায় কাজে, ক্রমাগত নতুন, উদ্ভাবনী কাজ করা যায়।
যারা ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে অভিজ্ঞ তারা এধরনের বিষয় নিয়ে নিয়মিত লেখেন। ফুল টাইম ফ্রিল্যান্সার জন ফিলিপ এর দৃষ্টিতে ক্রিয়েটিভি নষ্ট হওয়ার ৫ কারন এখানে তুলে ধরা হচ্ছে।
.          একাধিক দিকে দৃষ্টি দেয়া
ক্রিয়েটিভ কাজ করার জন্য মনোসংযোগ অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন। কোন কারনে সেটা বাধাগ্রস্থ হলে তার প্রভাব পড়ে কাজের ওপর। লেখার সময় যদি ফোনে কথা বলতে হয়, কেউ দরজায় বেল বাজায় তাহলে অবশ্যব লেখার সুত্র হারায়।
কেউ কেউ বাইরের সবকিছু এড়িয়ে নিজের মনোযোগ ধরে রাখতে পারেন, সবার পক্ষে সম্ভব হয় না। কাজেই এধরনের বিষয়গুলি এড়িয়ে একমাত্র কাজের দিকে মনোনিবেশ করে ভাল ফল পাওয়া  যেতে পারে।