Thursday, July 3, 2014

ইন্টারনেটে ঘরে বসে আয় : পেইড টু ক্লিক PTC

Posted in
যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজে আয় করতে চান তাদের কাছে পিটিসি অত্যন্ত আকর্ষনীয় বিষয়। অন্তত তাত্বিকভাবে কাজটি খুব সহজ। নির্দিষ্ট ওয়েবসাইট ওপেন করবেন, নির্দিস্ট লিংকে ক্লিক করবেন। আপনার একাউন্টে টাকা জমা হতে থাকবে। আয়ের এরচেয়ে সহজ পথ হয়না।
বাস্তবে এই পদ্ধতির পেছনে অন্য অনেকগুলি বিষয় জড়িত। যদি একাজে হাত দিতেই চান তাহলে সেটা জেনে নেয়াই ভাল।
প্রথম কথা, ক্লিক করলে আপনাকে টাকা দেবে কেন ? কে দেবে ?
বর্তমান বিশ্ব চলে বিজ্ঞাপনের জোরে। আর ইন্টারনেট বিজ্ঞাপনের বিশাল যায়গা। এরই মধ্যে ছাপানো বিজ্ঞাপনকে ছাড়িয়ে গেছে ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন। সব ধরনের কেনাকাটা করা যায় ইন্টারনেট ব্যবহার করেই, কাজেই সেই বিবেচনায় ইন্টারনেট বিজ্ঞাপন সুবিধেজনক।

ইন্টারনেট থেকে আয় : রিভিউ লিখে আয় করুন

Posted in
ইন্টারনেট ব্যবহার করে আয় করার পদ্ধতিগুলির মধ্যে রিভিউ লেখা জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি। এর সুবিধে হচ্ছে আপনাকে শুধুমাত্র লেখা বিষয়ে পারদর্শী হতে হয়। একথা বলে কাজটিকে সহজভাবে দেখা হচ্ছে না, বরং প্রোগ্রামিং কিংবা এনিমেশনের সাথে তুলনা করে এটুকু বলা যেতে পারে এই কাজগুলির জন্য আপনার পড়াশোনার সম্পর্ক থাকতে হয়। অংক কিংবা ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে না পড়ে আপনি প্রোগ্রামিংএ খুব ভাল করতে পারেন না। অন্যদিকে যে কোন বিষয়ে পড়াশোনা করা ব্যক্তিরই কোন বিষয়ে লেখার দক্ষতা থাকতে পারে। এজন্যই স্কুলে-কলেজে রচনা লিখতে শেখানো হয়।
রিভিউ কিংবা আরো স্পস্ট করে বললে পেইড রিভিউ (paid review) আসলে একধরনের বিজ্ঞাপন। আপনি একটি পন্যের সুবিধে-অসুবিধেগুলি নিয়ে লিখবেন, পাঠকেরা সেটা পড়ে কিনতে আগ্রহী হবে। মুল উদ্দেশ্য এটাই।

এফিলিয়েট মার্কেটিং : ইন্টারনেট থেকে আয় করার পদ্ধতি

Posted in
এফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করে অন্য কোম্পানীর ওয়েবসাইটের প্রচার করা এবং বিনিময়ে কমিশন পাওয়া। এই কমিশনের পদ্ধতি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। সবচেয়ে সাধারন পদ্ধতি হচ্ছে আপনার ওয়েব সাইট থেকে বিজ্ঞাপন দেখে যদি কেউ সেই পন্য কেনে তাহলে। যেমন ধরুন আপনার সাইটে বইয়ের তথ্যের সাথে আমাজনের লিংক রয়েছে। যদি কোন ভিজিটর সেই লিংকে ক্লিক করে আমাজনে যায় এবং সেই পণ্য কেনে তাহলে আপনি বিক্রির ওপর কমিশন পাবেন। আপনি নিশ্চয়ই জানেন আমাজন বিক্রি করে না এমন কোন পন্য নেই।
বিক্রি হওয়া ছাড়াও অন্য ওয়েবসাইটের বিজ্ঞাপন রাখলে সেই লিংকের ওপর ভিজিটর ক্লিক করলে সেকারনেও অর্থ পেতে পারেন। তাদের কাছে এর অর্থ, আপনি তাদের সাইটে ভিজিটর পাঠাচ্ছেন।

এডসেন্স ব্যবহারের নিয়ম-কানুন

Posted in
গুগল এডসেন্স নিয়ে অন্যান্য লেখাগুলি থেকে নিশ্চয়ই ধারনা পেয়েছেন এটা থেকে কি করা সম্ভব, কিভাবে ভাল ফল পাওয়া যায়। এবারে বাস্তবে কিভাবে কাজটি করবেন জেনে নিন।
যে কোন ওয়েবসাইটের জন্যই এডসেন্স ব্যবহার করা যায়। এডসেন্স রেজিশ্ট্রেশনের জন্য তাদের ওয়েবসাইটে www.google.com/adsense যান নিজের নাম-ঠিকানা-সাইটের পরিচিতি দিন। গুগলের সাধারন নিয়ম হচ্ছে আপনি কেবলমাত্র নিজের চালু সাইট ব্যবহার করবেন। নিজস্ব সাইট না থাকলে এডসেন্স রেজিষ্টার করার সুযোগ পাবেন না। ব্যক্তিগত অথবা প্রতিস্ঠান হিসেবে দুধরনের একাউন্ট তৈরীর ব্যবস্থা রয়েছে।


তাদের নিয়মের বাইরে কিছু ঘটলে তারা আপনাকে এডসেন্স ব্যবহারের সুযোগ নাও দিতে পারে।

ইন্টারনেট থেকে আয় : অন্যের তৈরী সাইট থেকে উপার্জন

Posted in
ওয়েবসাইট থেকে আয় আসে নানাভাবে। সরাসরি সেখানে কেউ বিজ্ঞাপন দিতে পারেন যা থেকে আপনি অর্থ পাবেন। অথবা এডসেন্স, পে-পার-ক্লিক থেকে শুরু করে যত ধরনের পদ্ধতি রয়েছে সবকিছু থেকেই আয় করা যায়। সেজন্য প্রয়োজন এমন ওয়েবসাইট যেখানে প্রচুর পরিমান ভিজিটর রয়েছে। ভিজিটর যত বেশি আয় তত বেশি।  আর এধরনের সাইট তৈরী করতে প্রয়োজন সময়, মেধা, শ্রম।
নিজে ওয়েবসাইট তৈরী করতে যে সময়, শ্রম প্রয়োজন সেটা না করে অন্য কেউ সময় এবং শ্রম ব্যয়ে যাকিছু করেছে সেখান থেকে আয় করতে চান ? সেটাও সম্ভব।

ইন্টারনেট থেকে আয় : ই-বুক বিক্রি করে আয় করুন

Posted in
ই-বুক সাধারন ছাপা বইয়ের মতই, পার্থক্য হচ্ছে এগুলি থাকে ইলেকট্রনিক ফরম্যাটে এবং পড়তে হয় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, বিশেষ ধরনের ই-বুক রিডারে কিংবা মোবাইল ফোনে।
এতে আর নতুন কি আছে!
ই-বুক কি সেটা আপনাকে শেখানো হচ্ছে না। ধরে নেয়া হচ্ছে আপনি সেটা জানেন। আপনি ই-বুক বিক্রিকে পেশা হিসেবে ব্যবহার করে আয় করতে পারেন। আপনার হয়ত এরই মধ্যে এটাও জানা হয়েছে গেছে মানুষ ছাপা বই যে পরিমান কেনে তারথেকে বেশি কেনে ই-বুক। এগুলির দাম তুলনামুলক কম। কেনা খুব সহজ। ইন্টারনেট ব্যবহার করে সাথেসাথে কেনা যায়।
বিক্রির জন্য ই-বুক কোথায় পাবেন ?

ইন্টারনেট থেকে আয় : কাজ কিভাবে পাবেন

Posted in
চাকরী বা ব্যবসার বদলে কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনি যথেষ্ট পরিমান আয় করতে পারেন। সেটা ডাটা এন্ট্রির মত সহজ কাজই হোক আর প্রোগ্রামিং এর মত দক্ষতার কাজই হোক। অনেকে বলেন এটাই ভবিষ্যতের কাজের নিয়ম। বর্তমানে যেমন কোন কোম্পনীকে কাজ করানোর জন্য বেতন দিয়ে কর্মী নিয়োগ করতে হয়, ভবিষতে তারা একাজের জন্য ইন্টারনেটের ওপর নির্ভর করবেন। যে কেউ যোগাযোগ করে সেই কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এতে দুপক্ষেরই লাভ।
সাধারনভাবে আউটসোসিং নামে পরিচিত এই কাজ আপনি করবেন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে। কাজের তালিকা দেখে ঠিক করবেন আপনি কোন কাজ করতে চান, সেজন্য যোগাযোগ করবেন। তারা যদি মনে করে আপনি সেকাজ ঠিকভাবে করতে পারবেন তাহলে তারা কাজ দেবেন।